বালুচিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে ট্রেন হাইজ্যাক, ট্রেন হাইজ্যাক করেছে মাজিদ ব্রিগেড, এসটিওএস ও ফাতেহ স্কোয়াড! এখনওপর্যন্ত ৬ সেনার মৃত্যু হয়েছে


 বালুচিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে ট্রেন হাইজ্যাকের খবর। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বালোচ লিবারেশন আর্মি এই ট্রেন হাইজ্য়াক করেছে বলে খবর। শতাধিক যাত্রী সহ একটি ট্রেন হাইজ্যাক করা হয়েছে বলে খবর। রেললাইনে বিস্ফোরক রেখে এই ট্রেন হাইজ্যাক করা হয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্য়েই এনিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। 


এদিকে পাকিস্তানের সেই ট্রেনে অন্তত ১০০র উপর যাত্রী রয়েছেন। সেই ট্রেনকেই হাইজ্যাক করে তাদের পণবন্দি করা হয়েছে বলে খবর। এমনকী এদিক ওদিক হলে ট্রেন উড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হচ্ছে। 


টাইমস নাও সহ একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বালোচ লিবারেশন আর্মি এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। অন্তত ১২০জন যাত্রী ট্রেনে রয়েছেন বলে খবর। এদিকে ঘটনায় কয়েকজন সেনা আহত হয়েছেন বলেও খবর। 


বালোচ লিবারেশন আর্মির তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পরিকল্পনা করেই ট্রেন হাইজ্য়াক করা হয়েছে। আমাদের যোদ্ধারা রেল লাইন উড়িয়ে দিয়েছে। তার পরেই জাফর এক্সপ্রেসকে থামানো হয়েছে। খুব দ্রুত ট্রেনের দখল নিয়েছে যোদ্ধারা। ট্রেনের যাত্রীদের পণবন্দি করা হয়েছে। এখন কোনও সেনা অভিযানের চেষ্টা হলে তার জন্য তৈরি থাকতে হবে সরকারকে। সব যাত্রীদের হত্যা করা হবে। এর জন্য দায়ি থাকবে সেনা।



সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে ট্রেন হাইজ্যাক করেছে মাজিদ ব্রিগেড, এসটিওএস ও ফাতেহ স্কোয়াড।  এখনওপর্যন্ত ৬ সেনার মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকশো যাত্রী আমাদের হেফাজতে রয়েছেন। সংগঠনের মুখপাত্র জেয়ান্দ বালোচ বলেন, ট্রেন হাইজ্যাকের দায়িত্ব নিচ্ছে বিএলএ।


এর আগে, গত বছর অক্টোবর মাসে পাকিস্তান রেলের তরফে কোয়েট্টা থেকে পেশোয়ারের মধ্যে নতুন করে ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় দেড় বছর পরিষেবা বন্ধ থাকার পর ওই রুটে ফের শুরু হয় ট্রেন চলাচল। কিন্তু গত কয়েক মাসে বালুচিস্তানের পরিস্থিতিতর অবনতি ঘটেছে ক্রমশ। গত বছর ডিসেম্বর মাসে কোয়েট্টা স্টেশনে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা, যাতে ২৬ জন মারা যান, আহত হন ৬২ জন। জানুয়ারি মাসে Pak Institute for Peace Studies-এর একটি রিপোর্টে বলা হয়, ২০২৪ সালে বালুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা এতটাই বেড়েছে যে ২০১৪ সালের পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করা যায়।


Previous Post Next Post

نموذج الاتصال