জোড়া ভূমিকম্পে 'মৃত্যুপুরী' মায়ানমার। লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। প্রকৃতির রোষে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে ৬৯৪ জন। আহত দেড় হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। নিখোঁজ বহু। ফলে মৃত্যু আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা জুন্টা সরকারের। ইতিমধ্যে পড়শি দেশে ১৫ টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে ভারত। এই দুঃসময়ে মায়ানমারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সহায়তা পাঠিয়েছে রাশিয়া-চিনও।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকার্য চলছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ১৫ টন ত্রাণসামগ্রী নিয়ে মায়নমারের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে ভারতীয় বিমান। অন্যান্য দেশের কাছেও সাহায্য চেয়েছে মায়ানমার।
পর পর তিনবারের ভূমিকম্পের জেরে কার্যত তছনছ হয়েছে একাধিক শহর। ভূমিকম্পের পর সাগাইং, মান্দালয়, ম্যাগওয়ে, বাগো, ইস্টার শান রাজ্য এবং রাজধানী নেপিডোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে ভারত বিশেষ বার্তা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, 'সবরকম সাহায্যের জন্য আমরা প্রস্তুত। আমাদের কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছি।' এও জানান, ভারত সরকার মায়ানমার ও থাইল্যান্ড সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করছে।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়াতে পারে। কারও কারও ধারণা মৃত ও আহতের সংখ্যা অভাবনীয় হতে পারে। কারণ ধ্বংসস্তুপ থেকে চাপা পড়া মানুষকে উদ্ধার করার মতো পরিকাঠামোর খুবই অভাব।
মার্কিন জিওলজিক্যাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, মায়ানমারের মান্দালয়ে ভূমিকম্পের উৎস ছিল। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিমি নীচে ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল। ১১টা ৫০ মিনিটে প্রথম ভূমিকম্পটি হয়। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.২।